নিজেকে জিজ্ঞাসা করো
- কম্পিউটার কেনো শিখতে হবে?
- কম্পিউটার শেখার প্রধান অন্তরায় কি?
- তুমি এতোদিন কেনো কম্পিউটার শিখনি?
- তোমার কি কম্পিউটার শিখতে ইচ্ছা করে? ইচ্ছে করলে কেনো ইচ্ছে করে?
- কম্পিউটার শিখতে গেলে কি কি প্রয়োজন হয়?
- বর্তমানে কম্পিউটার দিয়ে কি কি হচ্ছে?
- আগামীতে নতুন নতুন কি কি প্রযুক্তি আসছে?
সিলেবাস (৩টি লেসন)
লেসন-১
1. কম্পিউটার কি?
2. কম্পিউটারের ইতিহাস
3. কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ
লেসন-২
1. কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারের বিভিন্ন অংশ
2. সফ্টওয়্যার ও ফার্মওয়্যার
3. সফ্টওয়্যার এর প্রকারেভেদ
4. মেমোরির প্রকারভেদ
5. প্রধান ও সহায়ক মেমোরি
6. র্যাম ও রমের মাঝে পার্থক্য
7. মেমোরির ক্ষমতা
লেসন-৩
1. কম্পিউটার সিকিউরিটি
2. উইন্ডোজ এর খুটিনাটি
কম্পিউটার কি?
Computer শব্দটি গ্রিক শব্দ Compute শব্দ থেকে এসেছে। Compute শব্দের অর্থ গণনা করা। Computer শব্দের অর্থ গণনাকারী যন্ত্র। মূলতঃ এটি তৈরি করা হয়েছিল গণনার জন্য। কিন্তু বর্তমানে এটি জটিল ও কঠিন হিসাব-নিকাশ ছাড়াও আরো অনেক কাজে ব্যবহার হচ্ছে কম্পিউটার। কম্পিউটারের কাজের গতি হিসেব করা হয় ন্যানো সেকেন্ডে। ন্যানো সেকেন্ড হল এক সেকেন্ডের একশ কোটি ভাগের একভাগ। ইলেকট্রনিক প্রবাহের মাধ্যমে এটি তার যাবতীয় কার্য সম্পাদন করে।

কম্পিউটার ব্যবহারের ক্ষেত্র ও কাজ
- অফিস বেবস্থাপনা (In office Management)
- শিল্প ক্ষেত্রে (In Industry Sector)
- মুদ্রণ শিল্পে (In Printing Industry)
- যোগাযোগ ব্যবস্থায় (In Communication)
- চিকিৎসা ক্ষেত্রে (In Medical Sector)
- গবেষণায় (In Research)
- ব্যাংকিং জগতে (In Banking)
- আদালত (In Court)
- সামরিক ক্ষেত্রে (In Defence Sector)
- অর্থবাজারে (In Billing System)
- কৃষি ক্ষেত্রে (In Agriculture)
- সংস্কৃতি ও বিনোদনে (In Cultures and Recreation)
- তথ্য পরিসংখ্যানে (In Information Statistics)
- ডিজাইনে (In Design)
- আবহাওয়ার পূর্বাভাসে (In Weather Forecast)
কম্পিউটারের ইতিহাস
প্রাগৈতিহাসিক যুগে গণনার যন্ত্র উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রচেষ্টাকে কম্পিউটার ইতিহাস হিসেবে ধরা হয়। প্রাচীন কালে মানুষ একসময় সংখ্যা বুঝানোর জন্য ঝিনুক, নুড়ি, দড়ির গিট ইত্যাদি ব্যবহার করত। পরবর্তীতে গণনার কাজে বিভিন্ন কৌশল ও যন্ত্র ব্যবহার করে থাকলেও অ্যাবাকাস (Abacus) নামক একটি প্রাচীন গণনা যন্ত্রকেই কম্পিউটারের ইতিহাসে প্রথম যন্ত্র হিসেবে ধরা হয়। এটি আবিষ্কৃত হয় খ্রিষ্টপূর্ব ২৪০০ সালে ব্যাবিলনে। অ্যাবাকাস ফ্রেমে সাজানো গুটির স্থান পরিবর্তন করে গননা করার যন্ত্র। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০/৫০০ অব্দে মিশরে বা চীনে গননা যন্ত্র হিসেবে অ্যাবাকাস তৈরি হয়।
১৬১৬ সালে স্কটল্যান্ডের গণিতবিদ জন নেপিয়ার গণনার কাজে ছাপা বা দাগ কাটাকাটি অথবা দন্ড ব্যবহার করেন। এসব দন্ড জন নেপিয়ার (John Napier) এর অস্থি নামে পরিচিত। ১৬৪২ সালে ১৯ বছর বয়স্ক ফরাসি বিজ্ঞানী ব্লেইজ প্যাসকেল সর্বপ্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর আবিষ্কার করেন। তিনি দাঁতযুক্ত চাকা বা গিয়ারের সাহায্যে যোগ বিয়োগ করার পদ্ধতি চালু করেন। ১৬৭১ সালের জার্মান গণিতবিদ গটফ্রাইড ভন লিবনিজ প্যাসকেলের যন্ত্রের ভিত্তিতে চাকা ও দন্ড ব্যবহার করে গুণ ও ভাগের ক্ষমতাসম্পন্ন আরো উন্নত যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন। তিনি যন্ত্রটির নাম দেন রিকোনিং যন্ত্র (Rechoning Mechine)। পরে ১৮২০ সালে টমাস ডি কোমার রিকোনিং যন্ত্রের পরিমার্জন করে লিবনিজের যন্ত্রকে জনপ্রিয় করে তোলেন।
উনিশ শতকের শুরুর দিকে আধুনিক একটি যন্ত্রের নির্মাণ ও ব্যবহারের ধারণা (যা কেবলমাত্র যান্ত্রিকভাবে, মানে যেকোনও রকম বুদ্ধিমত্তা ব্যতিরেকে, গাণিতিক হিসাব করতে পারে) প্রথম সোচ্চার ভাবে প্রচার করেন চার্লস ব্যাবেজ। তিনি এটির নাম দেন ডিফারেন্স ইন্জিন (Difference Engine)। এই ডিফারেন্স ইঞ্জিন নিয়ে কাজ করার সময় (১৮৩৩ সালে) তিনি অ্যানালিটিক্যাল ইন্জিন নামে আরও উন্নত ও সর্বজনীন একটি যন্ত্রে ধারনা লাভ করেন। কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্র ও অর্থের অভাবে কোনোটির কাজই তিনি শেষ করতে পারেননি।
কম্পিউটার বিজ্ঞানের সত্যিকার সূচনা হয় অ্যালান টুরিং এর প্রথমে তাত্ত্বিক ও পরে ব্যবহারিক গবেষণার মাধ্যমে। বিশ শতকের মধ্যভাগ থেকে আধুনিক কম্পিউটারের বিকাশ ঘটতে শুরু করে। ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবনের ফলে মাইক্রোকম্পিউটারের দ্রুত বিকাশ ঘটতে থাকে। বাজারে প্রচলিত হয় বিভিন্ন প্রকৃতি ও আকারের কম মূল্যের অনেক রকম পার্সোনাল কম্পিউটার (Personal Computer) বা পিসি (PC)। সে সঙ্গে উদ্ভাবিত হয়েছে অনেক রকম অপারেটিং সিস্টেম, প্রোগ্রামের ভাষা, অগণিত ব্যবহারিক প্যাকেজ প্রোগ্রাম। এরসাথে ব্যাপক বিস্তৃতি ঘটেছে কম্পিউটার নেটওয়ার্ক ও ইন্টারনেটের এবং সংশ্লিষ্ট সেবা ও পরিসেবার। কম্পিউটার শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত ও সম্প্রসারিত হয়েছে অসংখ্য প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক কম্পিউটার শিক্ষা ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান। সাম্প্রতিক কালে কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি (Information Technology) বা আইটি (IT) ব্যবসা-বাণিজ্যের বিরাট অংশ দখল করেছে এবং কর্মসংস্থান হয়ে পড়েছে অনেকাংশেই কম্পিউটার নির্ভর।
যুক্তরাষ্ট্রের ইন্টেল কর্পোরেশন ১৯৭১ সালে মাইক্রোপ্রসেসর উদ্ভাবন করার পর থেকে বাজারে আসতে শুরু করে মাইক্রোপ্রসেসর ভিত্তিক কম্পিউটার। তখন থেকে কম্পিউটারের আকৃতি ও কার্যক্ষমতায় এক বিরাট বিপ্লব সাধিত হয়। ১৯৮১ সালে বাজারে আসে আই.বি.এম কোম্পানির পার্সোনাল কম্পিউটার বা পিসি। এর পর একের পর এক উদ্ভাবিত হতে থাকে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসর এবং তৈরি হতে থাকে শক্তিশালী পিসি। আই.বি.এম কোম্পানি প্রথম থেকেই আই.বি.এম কমপ্যাটিবল কম্পিউটার (IBM compatible computer) তৈরির ক্ষেত্রে কোনো বাধা-নিষেধ না রাখায় এ ধরনের কম্পিউটারগুলির মূল্য ব্যাপকহারে হ্রাস পায় এবং এর ব্যবহারও ক্রমাগত বাড়তে থাকে। একই সময় আই.বি.এম কোম্পানির পাশাপাশি অ্যাপল কম্পিউটার ইনকর্পোরেট (Apple Computer Inc) তাদের উদ্ভাবিত অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ (Apple-Macintosh) কম্পিউটার বাজারে ছাড়ে। কিন্তু অ্যাপল কোম্পানি তাদের কমপ্যাটিবল কম্পিউটার তৈরির ক্ষেত্রে কোনোরূপ উদারতা প্রদর্শন না করায় ম্যাকিনটোশ কম্পিউটারের মূল্য থেকে যায় অত্যধিক বেশি, যার ফলে অ্যাপল তেমন জনপ্রিয়তা লাভ করতে পারে নি। তবে বিশেষ ধরনের কিছু ব্যবহারিক সুবিধার কারণে মূলত মুদ্রণ শিল্পে অ্যাপল-ম্যাকিনটোশ কম্পিউটার ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হতো।
কম্পিউটার প্রজন্ম (Computer Generation)
কম্পিউটার যন্ত্রটি ক্রমঃবিবর্তন ও বিকাশ লাভের বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে বর্তমান অবস্থায় এসেছে। কম্পিউটার যন্ত্রের এই বিবর্তন, পরিবর্তন, পরিবর্ধন এবং বিকাশের এক একটি ধাপ বা পর্যায়কে কম্পিউটারের প্রজন্ম বা জেনারেশন বলা হয়। কম্পিউটারের প্রজন্ম নিয়ে কিছুটা মতভেদ থাকলেও কম্পিউটারের যান্ত্রিক পরিবর্তন, পরিবর্ধন ও উন্নয়নের ভিত্তিতে কম্পিউটারের প্রজন্ম কে ৫টি ভাগে ভাগ করা হয়। নিম্নে কম্পিউটার কম্পিউটারের প্রজন্ম সমূহ পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হল।
প্রথম প্রজন্ম (১৯৪০-১৯৫৬)
১৯৪০ থেকে ১৯৫৫ সালের মধ্যে যে সব কম্পিউটার তৈরি হয়েছে, সেগুলিকে বলা হয় প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার। ঐ সব কম্পিউটারের গঠনতান্ত্রিক কাঠামোর মূল যন্ত্রাংশ ছিল ভ্যাকুয়াম টিউব।
প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটারঃ এ প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার হচ্ছে এবিসি (ABC), ইউনিভিক (UNIVAC) ও এনিয়াক (ENIAC) এর ওজন ছিল ৩০ টন। এতে ১৮০০ শত ভ্যাকুয়াম টিউব ব্যবহৃত হয়। এটা চালাতে বিদ্যুৎ খরচ হত ২০০ কিলোওয়াট। ১৯৪৮ সালে ট্রানজিস্টর আবিষ্কার হয়।
বৈশিষ্ট্য সমূহ
- ভ্যাকুয়াম টিউব ও বিভিন্ন ধরনের বৈদ্যুতিক বর্তনীর ব্যবহার।
- মেমরি হিসাবে ম্যাগনেটিক ড্রামের ব্যবহার।
- ধীরগতিসম্পন্ন গণনাযন্ত্র।
- আকারে অনেক বড়।
- মেশিন ভাষার নির্দেশ প্রদান।
- পাঞ্চকার্ড এর মাধ্যমে ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থা।
উদাহরণ: IBM-650, MARK II, ENIAC, EDVAC, EDSAC.
দ্বিতীয় প্রজন্ম (১৯৫৬-১৯৬৩)
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টর এর ব্যবহার শুরু হয়। এই প্রজন্মের কম্পিউটার গুলির যন্ত্রাংশ ছিল আকারে তুলনামূলক ভাবে ছোট।
দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারঃ এ প্রজন্মের উল্লেখযোগ্য কম্পিউটার হচ্ছে আইবিএম-১৪০০, আইবিএম-৭০৯০, আরসিএল-৩০১ ও ৫০১ এবং আরসিএল-৩০০ ইত্যাদি।
বৈশিষ্ট্য সমূহ
- ট্রানজিস্টরের ব্যবহার।
- ম্যাগনেটিক কোর মেমরির ব্যবহার ও সহায়ক মেমরি হিসাবে ম্যাগনেটিক ডিস্কের উদ্ভাবন।
- অধিক নির্ভরযোগ্যতা।
- বাস্তবিক অর্থে কম্পিউটার ব্যবহার শুরু হয়।
- টেলিফোন লাইন ব্যবহার করে ডাটা প্রেরণের ব্যবস্থা।
- মেশিন ভাষার পরিবর্তে উচ্চস্তরের ভাষার ব্যবহার। (যেমন- COBOL, FORTRAN, ALGOL)
- উচ্চগতিসম্পন্ন ও উন্নতমানের ইনপুট ও আউটপুট ব্যবস্থার প্রচলন।
উদাহরণ: IBM-1401, CDC 1604, RCA-301, RCA 501, BCR 300, GE 200, RCL 201.
তৃতীয় প্রজন্ম (১৯৬৪-১৯৭১)
ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (Integrated circuit) এর উন্নতি তৃতীয় প্রজন্মের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য। তৃতীয় প্রজন্মের কম্পিউটারে ট্রানজিস্টরের পরিবর্তে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি) এর ব্যবহার শুরু হয়। এ প্রজন্মের কম্পিউটারে মনিটর, মেমরি ও প্রিন্টারের প্রচলন শুরু হয়।
৩য় প্রজন্মেই বাংলাদেশে কম্পিউটারের আবির্ভাব ঘটে। ১৯৬৪ সালে সর্বপ্রথম বাংলাদেশের পরমানু শক্তি কেন্দ্রে আইবিএম-১৬২০ নামের কম্পিউটার নিয়ে আসে।
বৈশিষ্ট্য সমূহ
- কম্পিউটারে IC এর প্রচলন।
- অর্ধপরিবাহী স্মৃতির ব্যবহার।
- উচ্চতর ভাষার বহুল ব্যবহার।
- মিনি কম্পিউটারের উদ্ভব।
- আকৃতিতে ছোট, দাম তুলনামুলক কম এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি।
- মুদ্রিত আকারে লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার।
- আউটপুট হিসেবে ভিডিও ডিসপ্লে ইউনিটের প্রচলন।
উদাহরণ: IBM 360, IBM 370, PDP-8, PDP-II, GE-600.
চতুর্থ প্রজন্ম (১৯৭১-বর্তমান)
মাইক্রোপ্রসেসর কম্পিউটারে সংযোজন চতুর্থ প্রজন্মের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । এ প্রজন্মের কম্পিউটারের RAM, ROM, উচ্চ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন Memory, Windows XP, Vista, Linux, Windows-7, Windows-10 ইত্যাদির উদ্ভব ঘটে ব্যাপক হারে। কম্পিউটারের সব সরঞ্জাম সিপিইউ এর মধ্যে সজ্জিত করা হয়ে থাকে । যেহেতু এই প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আরো ক্ষমতাসম্পন্ন হয়, তাই কম্পিউটারগুলো একটা আরেকটার সাথে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়। যেটা আধুনিক ইন্টারনেটের সূচনা করে দেয়। এ প্রজন্মে মাইক্রো কম্পিউটার (Micro Computer), সুপার কম্পিউটার (Super Computer) এর ব্যাপক প্রচলন শুরু হয়।
বৈশিষ্ট্য সমূহ
- কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার।
- সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন।
- বহু মাইক্রোপ্রসেসর এবং ইলেকট্রনিক যন্ত্রাংশ বিশিষ্ট IC এর ব্যবহার।
- ট্রানজিস্টরগুলোতে অপটিক্যাল ফাইবারের ব্যবহার।
- উন্নত মেমরি তথ্যা ম্যাগনেটিক বাবল মেমরির ব্যবহার।
- মানুষের কন্ঠস্বরের মাধ্যমে প্রদত্ত নির্দেশের অনুধাবন।
- ডাটা ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- অত্যন্ত শক্তিশালী ও উচ্চগতিসম্পন্ন মাইক্রোপ্রসেসরের ব্যবহার।
উদাহরণ: IBM 3033, IBM 4300, IBM S/36, Sharp PC-1211, Apple II, Pentium 1-4.
পঞ্চম প্রজন্ম (আগামী দিনগুলি)
পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটারগুলো আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) অর্থাৎ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এর উপর নির্ভর করে, যা এখন পর্যন্ত ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। এ প্রজন্মের কম্পিউটারের কৃত্তিম বুদ্ধিমত্তা, ভয়েস রিকগনিশন (Voice Recognition) সহ অন্যান্য বিষয় সংযোজিত থাকবে। যদিও বর্তমানে Voice Recognition এর মত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহৃত হচ্ছে। পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটিং এর লক্ষ হচ্ছে এমন একটা ডিভাইস তৈরি করা যেটা Natural Language এর সাড়া দিতে পারবে।
বৈশিষ্ট্য সমূহ
- কৃত্রিম বুদ্ধিসম্পন্ন।
- তথ্য ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি।
- প্রোগ্রাম এর উন্নতি সাধন।
- চুম্বক কোর স্মৃতির ব্যবহার।
- বিপুল শক্তিসম্পন্ন সুপার কম্পিউটারের উন্নয়ন।
- স্বয়ংক্রিয় অনুবাদ, গ্রহণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ।
- অধিক সমৃদ্ধশালী মাইক্রোপ্রসেসর।

এমএস ওয়ার্ড (MS WORD)
লেসন-১
১. মাইক্রোসফ্ট ওয়ার্ড
২. ওয়ার্ড চালু করা
৩. ওয়ার্ড এর স্ক্রীন ও অন্যান্য পরিচিতি
৪. নতুন ডকুমেন্ট খোলা এবং টাইপ করা
৫. কার্সর নাড়ানোর পদ্ধতি
লেসন-২
১. ফাইল সংরক্ষণ করা, বন্ধ করা, খোলা
২. কাট, কপি, পেস্ট এবং মুভ করা
৩. ড্র্যাগ ও ড্রপ পদ্ধতিতে ব্লক করে কপি করা
৪. সাইজ, স্টাইল, কালার ও ফন্ট পরিবর্তন
৫. লেখা (টেক্সট) বোল্ড ইটালিক, আন্ডারলাইন
৬. ইংরেজি বড় হাতের ও ছোট হাতের লেখা
৭. ডকুমেন্টের টেক্সট ফরম্যাট করা (যাবতীয় Font ফরমেটিং)
লেসন-৩
১. লেখা লেফট অ্যালাইন, রাইট অ্যালাইন, সেন্টার ও ফুল জাস্টিফাই করা
২. লাইন ও ক্যারেক্টার স্পেসিং পরিবর্তন করা
৩. প্যারাগ্রাফের লাইন স্পেসিং পরিবর্তন করা
৪. প্যারাগ্রাফের সকল ফরমেটিং
৫. সাবস্ক্রিপ্ট ও সুপারস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করা
৬. লেখা খুজেঁ বের করা এবং অন্য লেখা দ্বারা তা পরিবর্তন করা
৭. রি-ডু ও আন-ডু করণ
লেসন-৪
১. ট্যাব সেট মার্জিন ইনডেন্ট এবং টেক্সট অ্যালাইনমেন্ট
২. রুলারের সাহায্যে ট্যাব সেট করা
৩. বানান (স্পেসিং) ও ব্যাকরণ (গ্রামার) শুদ্ধ করা
৪. সিম্বল ইনসার্ট করা
লেসন-৫
১. হেডার ও ফুটার প্রয়োগ করা
২. পেইজ নাম্বারিং
৩. টেবিল তৈরি করা
৪. টেবিলে ডাটা ইনসার্ট করা
৫. নতুন Row, Column, Cell ইনসার্ট ও ডিলিট করা
৬. Column এবং Row এর আকৃতি (উচ্চতা ও প্রশস্ততা) পরিবর্তন
৭. সেল মার্জ, ডিলিট ও স্প্লিট করা
৮. টেবিলে বর্ডার দেয়া
৯. টেবিলে লেখা হরিজন্টাল এবং ভার্টিক্যাল অ্যালাইনমেন্ট করা
লেসন-৬
১. ওয়ার্ড এর কিছু শর্টকার্ট টিপস
২. প্রিন্ট করা
৩. একটি ইংরেজী বায়োডাটা তৈরী করা
৪. একটি বাংলা বায়োডাটা তৈরী করা
লেসন-৭ :: একটি ইংরেজী বায়োডাটা তৈরী
লেসন-৮ :: একটি বাংলা বায়োডাটা তৈরী
লেসন-৯ :: একটি চাকুরীর দরখাস্ত তৈরী
লেসন-১০ :: এক্সাম-১
Menu ভিত্তিক শিক্ষা
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-০১] :: বেসিক অপরেশন
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সাহায্যে আমরা যা করতে পারব যেমন :
১. দলিল, প্রশ্ন, চিঠিপত্র টাইপ করা, প্রিন্ট করা
২. ডিজাইন করা।
৩. টেবিল এবং ডায়াগ্রাম তৈরি করা।
৪. ব্যক্তিগত নোট তৈরি করা ইত্যাদি।
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড প্রাথমিক সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণাঃ
কার্সর ও মাউস পয়েন্টারঃ
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডডকুমেন্ট –এর লেখা মোছার নিয়ম:
ডকুমেন্ট এ কোন লেখা ভূল হলে তা মোছার জন্য তিনটি পদ্ধতি রয়েছেঃ
১. Backspace Key:
২. Delete Key:
৩. Insert Key:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডডকুমেন্ট –এর মোছা লেখা ফেরৎ আনার নিয়ম:
লেখা সিলেক্ট বা ব্লক করাঃ
MS WORD –এ টুলবারের কাজঃ
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-০২] :: File মেনুর বিস্তারিত
ফাইল মেন্যু (File Menu)
১. New (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী- Ctrl+N)
২. Open (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী-Ctrl+O)
৩. Close (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী-Ctrl+W)
৪. Save (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী-Ctrl+S)
৫. Save As (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী-F12)
৬. Page Setup
৭.Print (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী-Ctrl+P)
৮. Properties
৯. Exit (শর্ট কাট কী-Alt+F4)
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-০৩] :: Edit মেনুর বিস্তারিত
এডিট মেন্যু (Edit Menu)
১. Undo (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+Z)
২. Redo (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+Y)
৩. Cut & Paste (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+X & Ctrl+V)
৪. Copy & Paste (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+C & Ctrl+V)
৫. Office Clipboard
৬. Paste Special
৭. Clear
৮. Select All (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+A)
৯. Find (কী-বোর্ড শর্ট কাট কী Ctrl+F)
১০. Replace (Ctrl+H)
১১. Goto (Ctrl+G)
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-০৪] :: View মেনুর বিস্তারিত
ভিউ মেন্যু (View Menu)
১. Normal:
২. Web Layout:
৩. Print Layout:
৪. Outline:
৫. Task pane:
৬. Toolbar’S:
৭. Ruler:
৮. Header and Footer:
৯. Full Screen:
১০. Zoom:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-০৫] :: Insert মেনুর বিস্তারিত
Insert মেন্যু (Insert Menu)
১. Break:
২. Page Numbers:
৩. Date and Time:
৪. Auto Text:
৫. Symbol:
৬. Picture :
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-৬] :: Format মেনুর বিস্তারিত
Format মেন্যু (Format Menu)
১. Font :
২. Paragraph :
৩. Bullets and Numbering :
৪. Border and Shading :
৫. Columns:
৬. Tabs:
৭. Drop cap :
৮. Text Direction :
৯. Change Case (Shift+F3) :
১০. Background:
১১. Themes:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-৭]:: Tools মেনুর বিস্তারিত
টুলস মেনু (Tools Menu)
Spelling and grammar (F7) :
Language :
Word Count :
Autocorrect Options :
Customize:
Options:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ড [পর্ব-৮]:: Table মেনুর বিস্তারিত
Draw Table:
Insert Table:-
Select:
Merge Cells:
Split Cells:
Split Table:-
Table Auto Format:-
AutoFit:
Heading Rows Repeat:
Convert:
Sort:
Formula:
মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সাহায্যে আমরা যা করতে পারব যেমন :
টুলস মেনুর সাহায্যে ডকুমেন্ট এর লেখার বানান, ম্যাক্রা তৈরি, ব্রাকগ্রাউন্ড কালার, থিমস, ডকুমেন্টকে কলাম আকারে ভাগ করা ইত্যাদি কাজ করা যায়। এছাড়া এম.এস. ওয়ার্ডের টুলবার সমূহ, টাস্ক প্যান, রুলার, প্যারাগ্রাফ মার্কস প্রদর্শন করা ও বন্ধ করা যায় এখান থেকে। ডকুমেন্টের হেডার, ফুটার এ কোন লেখা, পেজ নম্বর প্রদর্শন এগুলি ও করা হয়ে থাকে এ মেনুতে।

Language :
কোন শব্দের প্রতিশব্দ খোজার জন্য Thesaurus (Shift+F7) কমান্ডটি লাগে। এজন্য উক্ত শব্দটিকে সিলেক্ট করে Tools মেনুর Language সাব-মেনু থেকে এ ক্লিক করি। এখানে যে শব্দ/প্রতিশব্দটি পছন্দ হবে তার উপর ক্লিক করে Replace এ ক্লিক করলে ডকুমেন্টে উক্ত শব্দটি সংযোজিত হবে।
এ সাবমেনুর Hyphenation কমান্ডটি ডকুমেন্টে লাইনের শেষে Hyphen যোগ করার জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে অর্থ্যাৎ কোন শব্দের পুরোটা যদি লাইনের শেষে সংকুলান না হয় তবে আমরা লেখার সময় যেমন একটি হাইফেন যোগ করে থাকি সে রকম এ কমান্ডেও একটি হাইফেন যোগ হবে। এজন্য Tools মেনুর Language সাব মেনু থেকে Hyphenation এ ক্লিক করি। যদি স্বংয়ক্রিয়ভাবে Hyphenation দিতে চাই তাহলে Automatically hyphenate Documents এ ক্লিক করি। Hyphenation zone এ ডান পামের মার্জিন থেকে কতটা দূরে Hyphenation প্রয়োজন হবে আর দূরত্ব যত কম হবে তত Hyphenation বেশী প্রয়োজন হবে। যদি নিজের প্রয়োজনমত Hyphenation করতে চান তাহলে Manual বাটনে ক্লিক করে তা করতে পারেন।

Autocorrect Options :

Customize:
এজন্য টুলস মেনু থেকে Customize এ ক্লিক করুন। Toolbars ট্যাব থেকে যে টুলবারটি পর্দায় প্রদর্শন করতে চান তার বাম পাশে চেকবক্সে ক্লিক করে টিক চিহ্ন দিন। কি-বোর্ড শর্টকার্ট তৈরীর জন্য এ ট্যাবে অবস্থিত Keyboard বাটনে ক্লিক করুন। তাহলে পাশের চিত্রের মত একটি ডায়ালগ বক্স দেখতে পাবেন। এখানে Categories বক্স থেকে নির্দিষ্ট মেনু সিলেক্ট করে ডান পামের Commands বক্স থেকে নির্দিষ্ট কমান্ড এ ক্লিক করুন যার জন্য শটর্টকার্ট কি তৈরী করতে চান। যদি আগেই ঐ কমান্ডের জন্য কোন শর্টকার্ট কি থাকে তবে তা Current Keys বক্সে দেখতে পাবেন। নতুন কোন শর্টকার্ট কি যুক্ত করতে চাইলে Press new shortcut key বক্সে ক্লিক করে আপনার কাংখিত শর্টকার্ট কি চাপুন (যেমনঃ Ctrl+O, Ctrl+P, F1,F2)
সবশেষে Close বাটনে ক্লিক করুন।

এখন Customize ডায়ালগ বক্সের দ্বিতীয় ট্যাব Commands এ ক্লিক করি। এখান থেকে মেনুবার অথবা টুলবারে কোন নির্দিষ্ট কাজের আইকন যুক্ত করা যায।। যেমন আমরা যদি ফাইল মেনুতে অবস্থিত Close কমান্ডের জন্য কোন বাটন টুলবারে যুক্ত করতে চাই তাহলে এ ট্যাবের Categories বক্স থেকে File এ ক্লিক করি। তারপর ডান পাশের Commands বক্স থেকে চিত্রের মত Close আইকনটিকে মাউস এর সাহায্যে ড্রাগ করে টুলবারে যুক্ত করে দিই। তাহলে উপরের চিত্রের মত টুলবারে Close বাটন সংযুক্ত হয়ে যাবে। এভাবে বিভিন্ন মেনুতে অবস্থিত কমান্ডগুলিকে আমরা টুলবারে সংযুক্ত করে। নিতে পারি আমাদের কাজের সুবিধার্থে ।

এখন তৃতীয় ট্যাব Options এ ক্লিক করি। এখানে প্রথম অপশনটি স্ক্রিনে Standard এবং Formatting টুলবার আলাদাভাবে দু’সারিতে দেখানোর জন্য কমান্ড। তারপর Always Show Full menus এ ক্লিক করলে প্রত্যেকটি মেনুর সকল আইটেম একসাথে প্রদর্শিত হবে। Show full menus after a short delay তে ক্লিক করলে মেনু আইটমেগুলি একসাথে প্রদর্শিত না হয়ে কিছুটা দেরীতে প্রদর্শিত হবে। other large icons/List font names in their font/show ScreenTips on toolbars ইত্যাদি অপশনসমূহ কাজে লাগানো যায় প্রয়োজনমত।

Options:

এবার General Tab এ যান। এখানে Recently used file list বক্সের সামনে ক্লিক করে ফাইল মেনুর নিচে সর্বশেষ খোলা ফাইলের লিষ্ট বাড়ানো/ কমানো যায়। ডিফল্ট হিসেবে এটি সাধারণতঃ চারটি দেওয়া থাকে।

এ ডায়ালগ বক্সের অন্যান্য ট্যাব যেমন Edit, Save, Security, Spelling & Grammar ইত্যাদি ট্যাবসমূহের বিভিন্ন অপশনগুলিও কাজে লাগে। এ ট্যাবগুলিতে ক্লিক করে অপশনগুলি দেখে রাখুন। যদি কোনটি বুঝতে অসুবিধা হয় তবে ডায়ালগ বক্সের ? চিহ্নিত বাটন এ ক্লিক করে উক্ত অপশনের উপর ক্লিক করুন। তাহলে উক্ত কমান্ডের কাজগুলি এক/দুই লাইনে স্ক্রিনে দেখতে পাবেন। এখান থেকে উক্ত কমান্ডের কাজ সম্পর্কে মোটামুটি একটা ধারনা পেয়ে যাবেন আশা করি।











Formula:









